ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস নিজস্ব প্রতিবেদন:’ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার জগদল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশি কিশোর সোহেল রানা বাবুর (১৪) লাশ মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফেরত দেওয়া হয়েছে। জগদল সীমান্ত বরাবর ৩৭৫ মেইন পিলারের কাছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই কিশোরের লাশ হস্তান্তর করার পর রাতেই বাবুর লাশ তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান।

এর আগে ভারতের ১৭১ বিএসএফ এর কমান্ডার কমান্ডেন্ট রাকেশ সিনহা ও ৫০ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল তুহীন মোহা. মাসুদের মধ্যে একই স্থানে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ ফেরতের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। বৈঠকে কিশোর হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।

সোমবার (২৮ জানুয়ারি) বিকাল ৫টার দিকে জগদল ক্যাম্পের কাছে সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ’র গুলিতে নিহত হয় বাংলাদেশি কিশোর সোহেল রানা বাবু। সে হরিপুর উপজেলার গেদুড়া ইউনিয়নের মারাধার গ্রামের একরামুল হকের ছেলে।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, কিছুদিন আগে দাওয়াতে যাওয়ার জন্য মামার সঙ্গে সোহেল রানা বাবু অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। সোমবার বিকালে তারা জগদল সীমান্তের ৩৭৩/২ এস পিলার এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে আসছিল। এ সময় ভারতের উত্তর দিনাজপুর জেলার কুকড়াদহ ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের দিকে গুলি ছোঁড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই বাবু নিহত হয়। তার মামা পালিয়ে এসেছে। তবে বাবুর লাশ ভারতে থেকে যায়।

উল্লেখ্য, গত ১০ দিনে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে এ নিয়ে তিনজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর আগে ১৮ জানুয়ারি জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় সীমান্তে জাহাঙ্গীর আলম (২১) বিএসএ’র গুলিতে নিহত হন। এর চারদিন পর হরিপুর উপজেলার মিনাপুর সীমান্তে মো. জেনারুল হক (২২) নামে আরেক যুবক ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছিলেন।

By khobor

One thought on “আবারো ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি কিশোর নিহত। বিস্তারিত লিংকে ক্লিক করুন…”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *