ব্রাহ্মণবাড়িয়া.প্রেস:- আজ সকালে ব্রাক্ষণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের সামনে, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এসময় হিন্দু মহাজোটের জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক প্রবীর চৌধূরী রিপন বলেন, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার গুজব ছড়িয়ে কুমিল্লা মুরাদনগরে হিন্দুদের বাড়ী ঘরে হামলা, অগ্নি সংযোগ, নারীদের শ্লীলতাহানি, মন্দির ও প্রতিমা ভাংচুর এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মিঠুন মন্ডল, ফেনীর মিঠুন দে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তিথি সরকার, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র দীপ্ত পাল ও প্রতীক মজুমদার, পার্বতীপুর সরকারী কলেজের ছাত্রী দীপ্তি রানী দাস এর বহিস্কার, মিথ্যা মামলায় ও গ্রেফতারের প্রতিবাদ করেন এবং সকল মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারকৃতদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানিয়ে বলেন অবিলম্বে সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। ১৯৪৭ সাল থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর হামলা হচ্ছে আজও তা অব্যাহত আছে। ৩০ অক্টোবর নাসিরনগরে হামলা হয়েছিল আর ৩১ অক্টোবর হামলা হয়েছে মুরাদনগরে এরই নাম অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। তিনি আরো বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে প্রত্যাহারের দাবী করছি এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে। জেলা হিন্দু মহাজোটের ভারপ্রাপ্ত সভসপতি এডঃ জয়লাল বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা সভাপতি সাধন চন্দ্র চৌধূরী,সাধারন সম্পাদক রঞ্জন চন্দ্র দাস, উপস্হিত ছিলেন সদর উপজেলা হিন্দু মহাজোটের সাংগাঠনিক সম্পাদক বাবু রাজেস চন্দ্র দাস, সহ-সভাপতি বাবু চন্দন চন্দ্র শীল, সদর উপজেলা হিন্দু মহাজোটের দপ্তর সম্পাদক বাবু বিকাশ চন্দ্র দাস, বিজয়নগর উপজেলার নেতা ও শিক্ষক লিটন দেব, ৪নং ওয়ার্ড পৌর সভার সাবেক কাউন্সিলর কিংকর ঘোষ, ৪নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অজিত দাস, জেলা পুজা পরিষদের অর্থ সম্পাদক নয়ন রায়, সদর উপজেলা হিন্দু মহাজোটের সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক বাবু শংকর চৌধুরী বিজয়, উপস্হিত ছিলেন সদর উপজেলা হিন্দু মহাজোটের সহ সভাপতি বাবু রাকেশ চন্দ্র ভৌমিক, উপস্হিত ছিলেন সদর উপজেলা মহাজোটের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক বাবু সুদাম চৌধুরী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হরিপদ চৌধুরী, শ্রীধন চৌধুরী, সন্তোষ ভৌমিক প্রমুখ।এদিকে বক্তাগন বলেন এনজিও রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে গত ৭ মাসে ২৭ টি প্র’তিমা ভাংচু’র, ২৩টি ম’ন্দিরে হা’মলা, ৫টি শ্ম’শান ও ধ’র্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি দ’খলের ঘটনা ঘটেছে। বসতভিটা, জমিজমা ও শ্মশান থেকে; উ’চ্ছেদের ঘটনা ২৬টি। দেশ ত্যাগের হুমকি ৩৪ জনকে। গ্রামছাড়া ৬০ পরিবার। ধর্মান্তকরণ ৭ জন। ধর্ম নিয়ে কটূক্তির মিথ্যা অভিযোগে, আটক করা হয়েছে ৪। তাহলে কি এই দেশে আমাদের থাকার কোন অধিকার নেই। এই দেশে আমার আপনার সকলের, কিন্তুু কেন শুধু আমাদের উপর হামলা নির্যাতন করা হচ্ছে এই মানববন্ধন থেকে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করছি।

By khobor

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *