ব্রাহ্মণবাড়িয়া.প্রেসঃ- রিপোর্ট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগরে এসএসসি পরীক্ষায় (ভুল) প্রশ্নপত্র সরবরাহের অভিযোগে দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় সচিবসহ  ৭জনকে অব্যাহত।

বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহের নিগার এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, অব্যাহতি প্রাপ্তরা হলো- নিদারাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সচিব আব্দুল আহাদ, হল সুপার গোলাম জিলানী, হল সুপার আব্দুল হান্নান, কক্ষ পরিদর্শক সজীব সরকার, কক্ষ পরিদর্শক জিয়াউর রহমান, কক্ষ পরিদর্শক সুহেল মিয়া, কক্ষ পরিদর্শক মনির হোসেন। ‘ভুল’ প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেয়া পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বর শিক্ষা বোর্ডে পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, সোমবার বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় ওই বিদ্যালয়ে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ২০২০ সালের বদলে ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়া হয় এবং তারা ওই প্রশ্নপত্রেই পরীক্ষা দেয়। ওই কেন্দ্রে ২০১৮ সালের অনিয়মিত পরীক্ষার্থীও ছিল। দায়িত্বরতদের ভুলের কারণেই এমন হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। 

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বললে চলে আসে আরো পিছনে ঘটে যাওয়া আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য। বলতে গিয়ে, এমন ভুল প্রশ্নে সমস্ত শিক্ষার্থীরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। শিক্ষার্থীরা বলেন গত কয়েক মাস আগেও, পরিক্ষার প্রশ্নে মেইন ফটক “বিদ্যালয়” নামটা সহ ভুলে-ভরা  প্রশ্ন নিয়ে জনমনে অনেক প্রশ্ন ওঠেছে।

ওরা বলেন ‘শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড’ যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সেই জাতি তত বেশি উন্নত” শিক্ষক হলো মানুষ গড়ার কারিগর, আর সেই শিক্ষকরাই যদি ভুল করে তাহলে এই ভুলের শেষ কোথায়?

সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের নিদারাবাদ ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম ভুল ছাপিয়ে সেই ভুলে ভরা প্রশ্নপত্র দিয়ে অর্ধ-বার্ষিক ও দশম শ্রেণীর প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষা-২০১৯খ্রি. নিয়েছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ৯ম শ্রেণী পযর্ন্ত ছাত্র/ছাত্রীদের অর্ধ-বার্ষিক-২০১৯ এবং দশম শ্রেণীর প্রাক নিবার্চনী পরীক্ষা-২০১৯ এর প্রত্যেক শ্রেণীর প্রতিটি বিষয়ের প্রশ্নপত্রের উপরের অংশে বিদ্যালয়ের নাম ভুল ছাপিয়েছেন।

By khobor

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *