ব্রাহ্মণবাড়িয়া.প্রেস রিপোর্ট।

বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পরিচয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিভিন্নস্থানে ফেস্টুন,বিলবোর্ড টানিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ওলামা লীগ সংগঠনের নামে বিভিন্ন প্রশাসনিক স্থানে প্রভাব বিস্তার করে ব্যাক্তি স্বার্থ হাসিল ও সংঘঠনের ভাবমূর্তিক্ষুন্য করে নানান অপকর্মের অভিযোগে ফয়সাল আহমেদ সুলতান নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি এন্ট্রি) করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ওলামা লীগ।  গত ৫ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী ওলামা লীগের সভাপতি আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান খাঁন (মনির) বাদী হয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন।

অভিযুক্ত ফয়সাল আহমেদ সুলতান ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মজলিশপুর ইউপির দারমা গ্রামের হাজী বাড়ির মৃত আব্দুস সোবহানের ছেলে। জিডির অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ওলামা লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পরিচয়কারী মাওলানা সুলতান আহমেদ ফয়সাল কোন হাফেজ বা/ মাওলানা নয়। স্বার্থন্বেষী, সুবিধা আদায়কারী, জগন্য ক্রিমিনাল ও প্রতারক প্রকৃতির লোক। জিডিতে আরো উল্লেখ্য করা  হয় অভিযুক্ত  ফয়সাল আহমেদ সুলতান তার নিজ ঔরষজাত সন্তানের হত্যাকারী হিসেবে দীর্ঘদিন সাজাঁ ভোগ করে হাজত বাস করে বর্তমানে জামিনে রহিয়াছে।

এবিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী ওলামা লীগের সভাপতি আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান খাঁন (মনির) এই প্রতিবেদক- কে জানান, অভিযুক্ত মাওলানা নামধারী ফয়সাল আহমেদ সুলতান কোন হাফেজ /বা মাওলানা নয়। সে, একজন প্রতারক। সে,কয়েকদিন ধরে নিজেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী ওলামা লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পরিচয় দিয়ে জেলার বিভিন্নস্থানে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারনা করে আসচ্ছেন। সে, জেলা ওলামা লীগের সংঘঠনের কোন সদস্য নয়। একটি প্রতারক চক্র ব্যাক্তি ফায়দা লুন্ঠনের স্বার্থে তাকে ওলামা লীগের নেতা হিসেবে বিভিন্ন প্রশাসনিক স্থানে নিয়ে তদবীর লবীং এর নামে সংগঠনের মানহানী ঘটাচ্ছেন। আপনি কিভাবে নিজেকে জেলা ওলামা লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পরিচয় দিচ্ছেন আমি প্রতারক সুলতানকে জিঙ্গাসা করিলে সে, আমাকে হাত কেটে ফেলার হুমকী দেন। পরে বিষয়টি আমি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ওলামা লীগের নেতৃবৃন্দকে  অবগত করে থানায় তার বিরুদ্ধে জিডি করেছি।  জিডির অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের এস আই নারায়ন চন্দ্র দাস জানান, অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।     

By khobor

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *