ব্রাহ্মণবাড়িয়া.প্রেসঃ-  ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আগামী ৩১মার্চ ২০১৯  এর আচরণ বিধি লঙ্গন  প্রসঙ্গেঃ-

 

এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে, লিখিত প্রতিবাদ জানান স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী- ফিরোজুর রহমান ওলিও।

 

উপরোক্ত বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক লিখিত জবাবে, ফিরোজুর রহমান ওলিও- ওনার বিশেষ জরুরী বক্তব্য পেষ করেন…………………………

নির্বাচন আচারণ বিধি লঙ্গনের অভিযোগ প্রেক্ষিতে  ওনি বলেন- জনাব জাহাঙ্গীর আলম.চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-২০১৯ এর রিটার্নিং অফিসার এর বরাবরে প্রদত্ত তথাকথিত অভিযোগ সর্ম্পুণ মিথ্যা, বানাউটি, যোগসাজসী ও দূরভীসন্ধিমূলক বটে। অভিযোগে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তথাকথিত গোলযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে আমি কোন উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয় নাই কিংবা অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার মতো কোন উক্তি করি নাই কিংবা উস্কানিমুলক বক্তব্য দিয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার কোন কারনে নাই।

কারণ অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হইলে অত্র নির্বাচনে আমি প্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে বেশীক্ষতিগ্রস্ত হইব।

উল্লেখ্য যে আমি ফিরোজুর রহমান (ওলিও) ব্যক্তিগত ভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাহার কন্যা জননেত্রি শেখ হাসিনার উন্নয়নের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালাইয়া আসিতেছি এবং দেশ ও জাতির উন্নয়নের লক্ষ্যে আমার শারিরীক ও আর্থিকসামর্থ নিয়োজিত রাখিয়াছি। জাতির জনকের পরিবারের সাথে আমার সম্পর্কের বিষয়টি অত্র জেলাসহ সর্বজন বিদিত। বি, এন,পিসহ অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দল আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহন না করায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অংশগ্রহন মুলক ও জনগনের নিকট গ্রহনযোগ্য করার জন্যেই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিসহ জননেত্রী শেখ হাসিনার মতে দলীয় ব্যক্তিগন যাহারা নিজ নিজ উদ্যোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করবেন সেই সকল ব্যাক্তি বা  ব্যাক্তিগনের বিরুদ্ধে দল (বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ) কোন শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহন করবেন না বরং বিজয়ী আওয়ামী সমর্থক প্রার্থীকে দল সাদরে গ্রহন করিয়া নিবে। দলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের উক্তরুপ সিদ্ধান্তের জন্যেই আমি উপজেলা নির্বাচনে একজন নির্দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বদিন্দতা করছি এবং জনগনের দ্বারে দ্বারে ভোট ভিক্ষা করছি।

কিন্তু প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী জনাব মো: জাহাঙ্গির আলমের কথিত সমর্থক এলাকায়, জনমনে নির্বাচনে ভোট দানে নিরুৎসাহিত করার জন্য প্রচার করেতেছে- যে আগরে রাতেই  ব্যালটে সিল মারা হবে। তাই ভোট কেন্দ্রে আসতে হবে না।

              উক্তরুপ অপপ্রচারে জনগন বিভ্রান্ত হইয়া, সরকারের বিরুদ্ধে যাহাতে জনমত যাইতে না পারে সেই জন্য আমি জনগনকে  ভোট ছাপানোর বিষয়ে- সরকার ও নির্বাচন কমিশনের জিরো টলারেন্স নীতির বিষয়টি প্রচার করিয়া নির্বাচনের দিন  ভোট কেন্দ্রে গিয়া জনগনকে ভয়ভীতির উর্দ্ধে উঠে ভোট দেওয়ার জন্য অনুপ্রানিত ও উৎসাহিত করছি।

আমি জনগনকে তাহাদের পছন্দ প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার উদাত্ত আহবান করছি। তাছাড়া অভিযোগ কথিত আমার গ্রামে প্রতিদিন ভোটারদের গরু জবাই করে দিন ব্যাপী খাবারের ব্যবস্থা করি নাই। উক্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। কারন আমি সারাক্ষন আমার কর্মী বাহিনী নিয়া উপজেলার প্রত্যেকটি গ্রামে গ্রামে ও পাড়ায় পাড়ায় জন সংযোগ করছি। তাছাড়া আমি জনাব মো: জাহাঙ্গীর আলমের সমর্থকগন কতৃক জনগনকে ভয়ভীতির মাধ্যমে ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য প্রচারণা ও ভোট দানে নিরুৎসাহিত করার বিষয়ে কোন পৃথক অভিযোগ জেলা রিটার্নিং অফিসারের নিকট জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি ও আমার সমর্থকদের নির্বাচন প্রচারণায় ভীত সম্ভ্রস্ত হইয়া আমার প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী আমার বিরুদ্ধে উক্ত মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন।

       এতামবস্থায় আমার অত্র লিখিত জবাব গ্রহন করিয়া, প্রতিপক্ষের মিথ্যা অভিযোগের দায় হইতে অব্যাহতি দিয়া সুষ্ট ও অংশগ্রহনমুলক একটি নির্বাচন-  ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা বাসীকে উপহার দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য, লিখিত অনুলিপি প্রদান করি- রিটার্নিং অফিসার বরাবর।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-২০১৯,ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

By khobor

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *